তোহফায়ে রমজানুল মোবারক

না’রায়ে তাক্‌বীর আল্লাহু আক্‌বার, না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্‌ (ﷺ)

* চাঁঁদ দেখা সাপেক্ষে

বিঃ দ্রঃ এই সময় সূচীর সাথে

  • চট্রগ্রাম, খাগড়াছড়ি, সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌল্ভী বাজার ও ফেনী ৫ মিনিট বিয়োগ (-)
  • রংপুর, খুলনা, বরিশাল ৪ মিনিট যোগ (+) এবং
  • রাজশাহী, দিনাজপুর ৬ মিনিট যোগ (+) করতে হবে
আল্লাহপাক ইরশাদ করেন
“হে ঈমানদারগন তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনিভাবে তোমাদের পূর্ব বর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিল, যেন তোমরা খোদা ভীরু হও” – আল্‌-কুরআন
রাসুলেপাক ﷺ ইরশাদ করেন
“রোজা আমার জন্য, আমি নিজেই উহার প্রতিদান দিব” – হাদিসে কুদ্‌সী

রোজার নিয়ত
নাওয়াইতু আন্‌ আছুমা গাদাম্‌ মিন্‌ শাহ্‌রি রামাদানুল মোবারক, ফার্‌দাল লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্কাব্বাল্‌ মিন্নি ইন্নাকা আন্‌তাছ্‌ ছামিউল আলীম।

অর্থঃ আমি আগামীকাল রমজানুল মোবারক মাসের ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করলাম, হে আল্লাহ্‌ আপনি কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি শ্রবণকারী, জ্ঞানী।
ইফতারের দোয়া
আল্লাহুম্মা লাকা ছুম্‌তু ওয়া আ’লা রিজ্‌কিকা আফ্‌তারতু বিরাহ্‌মাতিকা ইয়া আর্‌হামার্‌ রাহিমীন।

অর্থঃ হে আল্লাহ্‌, তোমার সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি। তোমারই রিযিক দিয়ে ইফতার করছি, তোমারই অনুগ্রহে, তুমি পরম দয়ালু মেহেরবান।


তারাবীহ্‌ নামাজের নিয়ত
নাওয়াইতু আন্‌ উছল্লিয়া লিল্লাহে তাআ’লা রাকাতায় সালাতিত্‌ তারাবীহ্‌, সুন্নাতুর রাসুলিল্লাহি তাআ’লা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শরীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।
তারাবীহ্‌ নামাজের দোয়া
সুব্‌হানা যিল মুল্‌কি ওয়াল মালাকুতি, সুব্‌হানা যিল ইযয্যাতি, ওয়াল আঝমতি ওয়াল হাইবাতি ওয়াল কুদ্‌রাতি ওয়াল কিব্‌রিয়ায়ি, ওয়াল জাবারুতে। সুব্‌হানাল মালিকিল হাইয়িল্লাযি, লা ইয়ানামু, ওয়ালা ইয়ামুতু, আবাদান আবাদান। ছুব্বুহুন কুদ্দুছুন রাব্বুনা ওয়ারাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ্‌।
তারাবীহ্‌ নামাজের মুনাজাত
আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনান্‌নার। ইয়া খালিকা্‌ল জান্নাতি ওয়ান্‌নারে। বিরাহ্‌মাতিকা ইয়া আজিজু ইয়া গাফ্‌ফারু ইয়া কারিমু ইয়া সাত্তারু ইয়া রাহিমু ইয়া জাব্বারু ইয়া খালিকু ইয়া বা’র,। আল্লাহুম্মা আযির্‌না ওয়া খাল্লিসনা মিনান্‌নার। ইয়া মুযিরু ইয়া মুযিরু ইয়া মুযিরু। বিরাহ্‌মাতিকা ইয়া আর্‌হামার রাহীমিন।
যাকাত আদায়ের ফজিলত
তোমরা নামাজ কায়েম করো, যাকাত আদায় করো, আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও অর্থাৎ – সৃষ্টির কল্যাণে দান করো। আসলে যা-কিছু সৎকর্ম তোমরা অগ্রিম আল্লাহর কাছে পাঠাবে, তার পরিবর্তে পরকালে এর চেয়ে ভালো, এর চেয়ে অনেক বড় পুরস্কার তোমরা তাঁর কাছে পাবে। তোমরা সবসময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতীব ক্ষ্মাশীল, পরম দয়ালু।

প্রকাশনায় আঞ্জমানে আসাদীয়া নূরীয়া সেহাবীয়া, আহ্‌লা দরবার শরীফ, বোয়ালখালী, চট্রগ্রাম

Previous Article

স্মরণঃ আহ্‌লা দরবার শরীফের প্রাণপুরুষ সৈয়দ আবু জাফর মোহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ (রহঃ) ❤️

Next Article

অজিফা