কারবালা কি কালাম কালেকশন

হিজরি ৬১ সনের ১০ই মহররম (৬৮০ খ্রিস্টাব্দ), ইরাকের কারবালা প্রান্তরে ইসলামের মহান নেতা হযরত ইমাম হুসাইন (আঃ), নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর প্রিয় দৌহিত্র, পরিবার ও সঙ্গীদের নিয়ে শাহাদত বরণ করেন। ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া জোরপূর্বক খেলাফতের বৈধতা চাচ্ছিলেন, যা ইমাম হুসাইন (আঃ) অন্যায় হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেন।

২ রা মহররমে (৬৮০ খ্রি.) ইমাম হুসাইন (আঃ) কারবালায় পৌঁছান এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয় ইয়াজিদের বাহিনী। ১০ই মহররমে (আশুরা) শুরু হয় নির্মম যুদ্ধ। ইমাম হুসাইন (আঃ)-এর ৭২ জন সাথী একে একে শাহাদত বরণ করেন, যার মধ্যে ছিলেন তাঁর ভাই হযরত আব্বাস (আঃ), ছয় মাসের পুত্র আলী আসগর (আঃ), যুবক পুত্র আলী আকবর (আঃ) প্রমুখ।

অবশেষে ইমাম হুসাইন (আঃ) নিজেও শাহাদত বরণ করেন। যুদ্ধের পর তাঁর পরিবারকে বন্দি করে দামেস্কে নিয়ে যাওয়া হয়। কারবালার এই ঘটনা সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আজও মুসলমানদের অন্তরে প্রেরণার উৎস।

“Nabi Ka Nawasa Chala Karbala” by Monir Qawwal
https://www.youtube.com/watch?v=lWB7wiumPa8

Purnam Allahabadi (1948-1997), a notable Pakistani poet, wrote a kalam in honor of the sacrifice of Husayn that opens with the line “Salaami Karbala Mei Kya”. This poem was sung beautifully by Ustad Nusrat Fateh Ali Khan (1948-1997) as a qawwali titled “Ya Husain, Ya Husain”

Previous Article

হুসাইন আমার অন্তর্ভুক্ত, আর আমি হুসাইনের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন, যে হুসাইনকে ভালোবাসে ❤️

Next Article

পবিত্র শহীদ-এ-কারবালা গনের নামের তালিকা